আবেদন পত্র পূরণ করার পূর্বে ছাত্রের বার্থ সার্টিফিকেট, আধার কার্ড ও অভিভাবকের আধার কার্ড স্ক্যান করে নেবেন। এবং ছাত্র ও অভিভাকের পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও বাড়ির ফুল সাইজ ছবি (Image) তুলে রেডি রাখুন, আপলোড করার জন্য।

Before filling the application form, Do a scan of the student's Birth Certificate, Aadhar Card, Guardian's Aadhar Card. And take images of student passport size, guardian's passport size, and full-size house for upload. upload.

আপনি যদি নীচের নিয়মগুলি ভালভাবে পড়েন এবং শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা উপযুক্ত মনে করেন, তাহলে আপনি আবেদনপত্রটি পূরণ করবেন।

If you read the following rules well and deem it appropriate to admit the student, you will fill up the application form.

আদ্যাপীঠ বালক আশ্রমের ছাত্রাবাস

Hostel of Adyapith Boys' Ashram.

শ্রীমৎ অন্নদাঠাকুর মহোদয়ের প্রতি শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের আদিষ্ট কর্মগুলির মধ্যে অন্যতম হল আদ্যাপীঠ বালক আশ্রম। এই বালকাশ্রমের মূল উদ্দেশ্য ব্রহ্মচর্য অবলম্বনে আর্য ঋষিদের আদর্শে শিক্ষাদান করা। ইংরেজী ১৯৩০ খ্রীষ্টাব্দে ব্রহ্মচারী সুধীর ভাই-এর উদ্যোগে আদ্যাপীঠ বালক আশ্রম প্রতিষ্ঠিত হয়।

শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব দার্শনিক মনোভাবের একটি প্রত্যক্ষ নিদর্শন আদ্যাপীঠের কর্মযজ্ঞ। এই কর্মযজ্ঞের একটি অঙ্গ হল ব্রহ্মচর্য বালক আশ্রম। ভগবান শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব মানব শরীরে নিজে সমাজে আবির্ভূত হয়ে সমাজের উৎশৃঙ্খল অবস্থা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। তাই শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব শ্রীমৎ অন্নদাঠাকুর মহোদয়কে উপলক্ষ করে চরিত্রবান, সামাজিক দায়বদ্ধ, ব্রহ্মচর্যজ্ঞানে বলীয়ান, আদর্শ ব্যক্তি তৈরি করার উদ্দেশ্যে ভক্ত সাধু অক্ষয় কুমার বসু মহাশয়ের সাহায্যে ব্রহ্মচারী সুধীর ভাই-এর প্রেরণায় ব্রহ্মচারী মুরাল ভাই আদ্যাপীঠ বালক আশ্রমের রূপদান করেন।

আবাসিক এই ব্রহ্মচর্য আশ্রমে ৬ বছর বয়স থেকে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত বালকদের ভর্তি করা হয়। পিতৃ-মাতৃহীন অনাথ বালকদের নিখরচায় (আশ্রম কর্তৃপক্ষের ইচ্ছাধীন), পিতা-মাতা উভয় বর্তমান ও সক্ষম হলে বালকদের পূর্ণ খরচে ভর্ত্তি করা হয়। দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সংঘ আশ্রমের ব্রহ্মচারী ও শিক্ষকগণ এই বালকদের সন্তানতুল্য স্নেহে প্রতিপালন করেন।

আদ্যাপীঠ বালক আশ্রম ছাত্রাবাসের দিনলিপি।

The daily life of adyapeath Balak Ashram Chatrabas students.

ঘুম থেকে ওঠা ৫ টায়।

প্রার্থনা-৫-১৫ থেকে ৫-৪৫ মিনিট ।

আশ্রম পরিস্কার করা- ৫-৪৫ থেকে ৬-১০ মিনিট পর্য্যন্ত।

সকালের খাওয়া-৬-১৫ থেকে ৬-৫০ মিনিট পর্য্যন্ত। ৫টি ঘন্টা পড়বে।

থালা ধুয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে পড়তে বসতে হবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন :৭টা থেকে ১০-৩০ ।

সেকেন্ডারি পড়তে বসার সময়-৭টা থেকে ৯-৩০ মিনিট পর্য্যন্ত।

সেকেন্ডরি বিদ্যালয়ের সময়-১০-৪৫ থেকে ৪-৩৫মিনিট পর্য্যন্ত।

দুপুরের খাওয়া-ছুটির দিন-১২.৩০ (শনি, রবি ও অন্যান্য ছুটির দিন)

সাধারণ দিন- Class-I-IV ১২-৩০ মিনিট

Class-V-XII ১২-৫০ থেকে-১-২৫ মিনিট পর্যন্ত।

বিকালের টিফিনের সময়-৪-৩৫ থেকে ৪-৫০ মিনিট পর্য্যন্ত।

খেলা-৪-৫০ থেকে ৬টা পর্যন্ত

৬টা থেকে ৬ টা ১৫ মিনিটের মধ্যে প্রার্থনা ঘরে উপস্থিত থাকতে হবে।

প্রার্থনা- ৬ টা ১৫ মিনিট থেকে ৬টা ৩৫ মিনিট প্রার্থনা।

আর ৫ মিনিট ধ্যান করতে হবে।

৬.৪০ মিনিট থেকে ৬.৫০ মিনিট মধ্যেপড়তে বসতে হবে।

সন্ধ্যার পঠন-পাঠন-৬-৫০ মিনিট থেকে ৯-১৫ মিনিট পর্যন্ত।

৫ মিনিটের মধ্যে খাওয়ার ঘরে উপস্থিত থাকতে হবে।

রাতের খাওয়া-৯-২০মিনিট থেকে ১০-০০ মিনিট পর্য্যন্ত।

১০টা থেকে ১০-২০ মিনিটের মধ্যে থালা ধুয়ে যে যার বিছানায় যেতে হবে।

১০-২০ থেকে ১০-৩০ মিনিটের মধ্যে বিছানায় শুয়ে পড়তে হবে।

ঠিক ১০-৩০ মিনিটে আশ্রমের সকল লাইট বন্ধ হয়ে যাবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য - শনিবার ও রবিবার ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে ১১-৩০ মিনিটের

মধ্যে কাপড় কাঁচা ও স্নান করে নিতে হবে।

* সকলকে একত্রে নির্দিষ্ট স্থানে মিলিত হবার জন্য-৪টি ঘন্টা পড়বে।

* প্রার্থনা শুরুর জন্য- ৩ টি ঘন্টা পড়বে।

* খাওয়ার ঘরে যাওয়ার জন্য-৫টি ঘন্টা

* পড়তে বসার জন্য-২টি ঘন্টা

প্রয়োজন বোধে সময় সূচী পরিবর্তন ও পরিবর্দ্ধন হতে পারে।

অভিভাবক/অভিভাবিকাদের অঙ্গীকার পত্র

The commitment letter from the guardian.

আমি শ্রী /শ্রীমতী. ............................................. আমার........................... শ্রীমান............................................... .কে আশ্রমে ভর্তি, ভরণপোষণ ও শিক্ষার জন্য নিম্নলিখিত শর্তাবলী সম্পূর্ণ মানিয়া চলিব বলিয়া অঙ্গীকার করছি।


১) শ্রীমান আশ্রমে থাকাকালীন আশ্রমের নির্দিষ্ট নিয়ম-শৃঙ্খলা পালন করবে। লেখাপড়ায় মনোযোগী থাকবে এবং তত্ত্বাবধায়ক, সাধু- ব্রহ্মচারী শিক্ষকদের উপদেশ ও নির্দেশ মানিয়া চলিতে বাধ্য থাকবে।

২) বিদ্যার্থী আশ্রমের দৈনন্দিন জীবনের সকল কাজকর্মে অবশ্যই যোগদান করবে।

৩) বিদ্যার্থী যদি কখনও বিনা অনুমতিতে আশ্রম সীমার বাহিরে যায় তবে সেই অপরাধের জন্য আশ্রম কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত নেবে তাহা মেনে নিতে বাধ্য থাকব।

৪) বিদ্যার্থী যদি কখনও বিনা অনুমতিতে আশ্রম পরিত্যাগ করে বাড়ি যায় এবং রাস্তায় কোন বিপদ ঘটে তার জন্য আশ্রম কর্তৃপক্ষকে দায়ী করব না।

৫) আশ্রমে থাকাকালীন আশ্রম কর্তৃপক্ষের সবরকম চেষ্টা ও সাবধানতা অবলম্বন করা সত্ত্বেও শ্রীমানের যদি কোনও বিপদ বা আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে তার জন্য আশ্রম কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকিবে না।

৬) আশ্রম কর্তৃপক্ষ শ্রীমানকে কোন কারিগরী শিক্ষায় নিযুক্ত করলে আমার কোনরূপ আপত্তি থাকবে না।

৭) বিদ্যার্থী যদি একাদিকক্রমে ৪৫ দিন আশ্রমে অনুপস্থিত থাকে, তবে তাকে বরাবরের জন্য ফেরৎ নিয়ে যেতে বাধ্য থাকব।

৮) বিদ্যার্থী একই শ্রেণি তে উপর্যুপরি দুইবার বাৎসরিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়, তবে আশ্রম কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী তাকে বাড়ী নিয়ে যেতে বাধ্য থাকব।

৯) পঞ্চম শ্রেণি ও একাদশ শ্রেণি তে ছাত্রকে পুনরায় ফর্ম ফিলাপ করে নবীকরন করতে বাধ্য থাকব। (নবীকরন মঞ্জুর করা না করা আশ্রম কর্তৃপক্ষের ইচ্ছাধীন)।

১০) যে কোন ছুটি মঞ্জুর করা না করা আশ্রম কর্তৃপক্ষের ইচ্ছাধিন। (স্কুল ছুটির সময় কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষনা করলে) ছুটিতে ছাত্রকে বাড়ী নিয়ে যেতে বাধ্য থাকব।

১১) বিদ্যার্থীর অসুস্থতার জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন হয় তবে বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে বাধ্য থাকব।

১২) বিদ্যার্থীর সহিত কেবলমাত্র শনি ও রবিবার বিকাল ৪টা থেকে ৫টা অবধি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে সাক্ষাৎ করব।

১৩) অভিভাবকের ঠিকানা ও ফোন নম্বর পরিবর্তন করলে তৎক্ষণাৎ জানাতে বাধ্য থাকব।

১৪) আশ্রমে ছাত্রকে কোনরূপ জমকালো পোশাক দিয়ে যাব না।

১৫) যে কোন রকম আশ্রম বিরুদ্ধ আচরণের জন্য আশ্রম কর্তৃপক্ষ ছাত্রকে আশ্রম থেকে বহিষ্কার করলে তার বিরুদ্ধাচরণ করব না। তা মেনে নিতে বাধ্য থাকব।

১৬) ছাত্রের জন্মের প্রমাণ পত্র, অভিভাবকের আয়ের প্রমাণ পত্র, ছাত্রের সঙ্গে অভিভাবকের সম্পর্ক ,সচিত্র ও বাসস্থানের প্রমাণ পত্র মিথ্যা প্রমাণিত হলে ছাত্রকে আশ্রম থেকে নিয়ে যেতে বাধ্য থাকব।

১৭) সর্বক্ষেত্রে আশ্রম কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলে পরিগণিত হবে।

১৮) শ্রীমানকে আশ্রম থেকে শিক্ষামূলক ভ্রমণে অথবা সমাজসেবামূলক কাজে পাঠালে আমার কোন আপত্তি থাকবে না।

১৯) আশ্রম কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত শ্রীমানকে কোনরূপ দামী জিনিস টাকা পয়সা দিয়ে যাব না।

২০) বিদ্যালয় ও আশ্রমের দীর্ঘায়িত নির্দিষ্ট ছুটির পরিপ্রেক্ষিতে আমার সন্তানকে বাড়ি নিয়ে যেতে এবং যথাসময়ে দিয়ে যেতে বাধ্য থাকব।

২১) পারিবারিক অশান্তির কারণে ছাত্রকে ভর্তি করলে অবশ্যই তা আশ্রম কর্তৃপক্ষকে জানাতে বাধ্য থাকব। এরজন্য কোনরূপ অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটলে তার জন্য আশ্রম কর্তৃপক্ষকে দায়ি করব না। নিজেই দায়ি থাকব।

২২) শনি রবিবার ব্যতিত অন্য দিন ছাত্রের সঙ্গে দেখা করব না।


আমি উপরিক্ত নির্দেশাবলী পড়ে স্বাক্ষর করছি।

অভিভাবকের স্বাক্ষর

-: ছাত্রদের পালনীয় কর্তৃব্য :-

Duties of students.

১) আশ্রমের নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলবে।

২) বড়দের সন্মান করে চলবে।

৩) সঠিক সময়ে প্রার্থনায় যেতে হবে।

৪) আশ্রম কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বাহিরে গেলে ছাত্রকে বহিষ্কার করা হবে।

৫) কোনরূপ ইলেকট্রনিক জিনিস ব্যবহার করা চলবে না।

৬) যথা সময়ে চুল ছোট করে কাটতে হবে।

৭) টাকা পয়সা আশ্রম কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে রাখতে হবে।

৮) আশ্রমের কোন জিনিসের ক্ষতি করলে অভিভাবককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

৯) বাজে কথার জন্য ছাত্রকে আশ্রম থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে।

১০) পরের দ্রব্য না বলে নেবে না।

১১) অসুস্থতা ব্যতীত প্রত্যেক ছাত্রকে খাওয়ার ঘরে উপস্থিত থাকতে হবে।

১২) শনি ও রবিবার নিদিষ্ট সময়ে প্রত্যেককে কাপড়-জামা কাচতে হবে।

১৪) খেলার সময় প্রত্যেক ছাত্রকে কোন না কোন খেলায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

১৫) কর্তৃপক্ষের নির্দেশে প্রয়োজন বোধে প্রত্যেক ছাত্রকে আশ্রম পরিষ্কারে অংশ গ্রহণ করা বাধ্যতা মূলক ।

১৬) স্কুল চলাকালীন স্কুল ড্রেস, আশ্রমে থাকার সময় প্রাইমারী ছাত্রদের নেভি ব্লু প্যান্ট, ও হলুদ জামা অথবা গেঞ্জি, সেকেন্ডারী ছাত্রদের কফি রঙে প্যান্ট, ও হলুদ জামা অথবা গেঞ্জি, প্রার্থনায় এবং বাহিরে কোথাও নিয়ে গেলে ধুতি পাঞ্জাবী বাধ্যতামূলক।

১৭) আশ্রম কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ব্যতীত অভিভাবকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা দন্ডনীয় অপরাধ।

১৮) শিক্ষক মহাশয়দের আদেশ ভিন্ন কেহ কোনরূপ দ্রব্য আদান-প্রদান করিবে না। অন্যথায় শাস্তি যোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হবে।

১৯) কোন ছাত্র আশ্রম বিরুদ্ধ আচরণ করলে সত্ত্বর আশ্রম কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

২০) খাওয়ার সময় কথা বলা নিষিদ্ধ।

২১) অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে হবে।

ঃ পোষাক পরিচ্ছদ সংক্রান্ত নিয়মাবলীঃ

:Rules regarding dress code:.


প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত নীল প্যান্ট ও বাসন্তী রঙের শার্ট।

পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য গাঢ় চকলেট রঙের প্যান্ট, বাসন্তী রঙের হাফ শার্ট, টাই এবং সাদা কেড্স এবং সাদা হাফ মোজা বিদ্যামন্দিরের পোষাক হিসাবে নির্দিষ্ট। (পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত হাফ প্যান্ট নির্দিষ্ট)

একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি র ছাত্রদের জন্য নেভি ব্লু প্যান্ট ও অফ হোয়াইট শার্ট নির্দিষ্ট।

শীত কালে বাসন্তী রঙের ফুল শার্ট ও চকলেট রঙের পশমী সোয়েটার বিদ্যামন্দিরের পোষাক হিসাবে অনুমোদিত।

শরীর শিক্ষা ক্লাসে এবং নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানে কলার যুক্ত সাদা রঙের গেঞ্জি, প্যান্ট, কেডস অবশ্যই পরে আসতে হবে।

।। ছাত্রের শরীর সম্পর্কে অভিভাবকের বিবৃতি।।

Parent's statement about the student's health.


১) ছাত্রের কখনও দীর্ঘস্থায়ী অবিরাম জ্বর হয়েছিল কি?

২) ছাত্রের কোন অঙ্গহানি আছে কি?

৩) গ্ল্যান্ড ফুলেছিল কি?

৪) হার্টের অসুখ আছে কি?

৫) হাঁপানি আছে কি?

৬) ফুসফুসের রোগ আছে কি?

৭) অজ্ঞান হওয়ার কোন রোগ আছে কি?

৮) কোনরূপ রক্তক্ষরণ হয়েছিল কি?

৯) কোন ছোঁয়াচে রোগ আছে কি?

১০) শয্যা মূত্র দোষ আছে কি?

১১) মানসীক রোগ আছে কি?


আমি শ্রী ....................................................আমার................................শ্রীমান.......................................................

সম্পর্কে উপরোক্ত বিবৃতি সত্য বলে জানি। যদি এর মধ্যে কোন উত্তর ভবিষ্যতে অসত্য প্রতিপন্ন হয় তবে ছাত্রকে বাড়ি ফেরৎ নিয়ে যেতে বাধ্য থাকব।

তারিখঃ

অভিভাবকের স্বাক্ষর


(ছাত্র ভর্তি সময় প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে আসার তালিকা)

List of documents required for student admission.

১) ছাত্রের জন্মের প্রমান পত্র ও আধার কার্ডের (ফটোকপি)

২) স্কুল ত্যাগের প্রমান পত্র (টি.সি.)

৩) ৬ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি

৪) অভিভাবকের সচিত্র (আধার কার্ড) প্রমান পত্রের ফটোকপি।

-ঃ ছাত্রের দৈনন্দিন ব্যবহার করার জিনিস পত্রের তালিকাঃ-

List of things to use in the student's daily life.

জিনিস পত্র রাখার বাক্স , স্কুল ব্যাগ ১টি, ধুতি ২টি , পাঞ্জাবী২টি,আশ্রমে ব্যবহার করার জন্য ড্রেস কোড নির্দিষ্ট জামা প্যান্ট , কম্বল ২টি , বালিশ, তোষক, মশারী, সতরঞ্চি, খাওয়ার থালা, জলের গ্লাস, বই, খাতা, শ্লেট, পেন্সিল, পেন, ইত্যাদি

-ঃ ছাত্র ভর্তির বয়সের সারণীঃ-

Table of student admission age

(জন্ম তারিখ অনুযায়ী নীচে টিক মারবেন)

Tick below according to date of birth.

প্রথম শ্রেণি ৬ -৭ বৎসর

দ্বিতীয় শ্রেণি ৭-৮ বৎসর

তৃতীয় শ্রেণি ৮-৯ বৎসর

চতুর্থ শ্রেণি ৯-১০ বৎসর

পঞ্চম শ্রেণি ১০-১১ বৎসর

ষষ্ঠ শ্রেণি ১১-১২ বৎসর

সপ্তম শ্রেণি ১৩-১৪ বৎসর

অষ্টম শ্রেণি ১৪-১৫ বৎসর

নবম শ্রেণি ১৫-১৬ বৎসর